শুক্রবার, ০৭ অক্টোবার ২০২২ , ২২ আশ্বিন ১৪২৯

Ads

প্রকাশ :০৭ সেপ্টেম্বার ২০২২ , ১১:১১ AM

ঝিনাইদহের মেয়র প্রার্থী কাইয়ুম শাহরিয়ার জাহেদী হিজলের সংক্ষিপ্ত জীবনী

single image

শৈশব ও শিক্ষা জীবনঃ

ঝিনাইদহ শহরের প্রাণকেন্দ্র সরকারি গার্লস স্কুলের সামনে বঙ্গবন্ধু সড়কে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে কাইয়ুম শাহরিয়ার জাহেদী হিজলের জন্ম হয়। বাবা মরহুম বীর ভাষাসৈনিক জাহিদ হোসেন মুসা মিয়া, মা মোছাঃ নুরুন্নাহার জিন্নাতুন, শৈশব ও কৈশোর কেঁটেছে বাবা-মা, ভাই-বোনের সাথে ঝিনাইদহতে, ঝিনাইদহের স্কুল কলেজ থেকেই এস এস সি ও এইস এস সি পাশ করেন, এর পরে ঢাকা থেকে উচ্চতর ডিগ্রী সমাপ্ত করেন। পারিবারিক জীবনে ২ কন্যা ও ১ পুত্র সন্তানের জনক তিনি। বাবা ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ, ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, ছিলেন নানাবিধ গুনাবলির অধিকারি গুণি ব্যাক্তিত্ব, সততা ও আদর্শিক একজন মানুষ, সাহিত্য ও কবিতা প্রেমি ছিলেন, লিখেছেন অনেক কবিতা, সাহিত্য ও প্রবন্ধ, তাঁর রচিত কাব্য সাহিত্যের মধ্যে অন্যতম প্রসিদ্ধ কাব্যগ্রন্থ হলো "অনেক দেরিতে" যার মোড়ক উন্মোচন করেছিলেন হোটেল শেরাটনে তৎকালিক শিক্ষা মন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। ঝিনাইদহ জেলার রাজনীতির প্রাণপুরুষ বলতে তাঁকেই বোঝানো হয়, জনগণের ভাগ্যণ্নায়নের জন্য ১৯৭৩ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। কর্ম জীবনে ছিলেন একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ছিলেন প্রিয় ব্যক্তিত্ব, বঙ্গবন্ধু ও মাওলানা ভাসানী ঝিনাইদহে আসলে জনাব মুসা মিয়ার বাড়িতেই আতিথেয়তা গ্রহণ করতেন, মরহুম জাহিদ হোসেন মুসা মিয়ার বাবা ছিলেন ঝিনাইদহের অদুরে নারিকেলবাড়িয়ার জমিদার, দানশীল, সমাজ সেবক একজন ভালো মানুষ। জনাব মুসা মিয়া সাত পুত্র সন্তান ও এক কন্যা সন্তানের জনক ছিলেন, জনাব কাইয়ুম শাহরিয়ার জাহেদী হিজল জনাব মুসা মিয়ার চতুর্থ সন্তান।
কর্মজীবনঃ
--------------------------------------
জনাব হিজল কর্মজীবনের শুরুতে রোডস এন্ড হাইওয়ে প্রথম শ্রেনীর ঠিকাদার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন, একজন আদর্শিক ঠিকাদার হিসেবে সর্বমহলে প্রশংসিত ছিলেন, একটা সময়ের পরে ঠিকাদারি ছেড়ে একে একে গড়ে তোলেন অনেকগুলো ব্যাবসায়ীক প্রতিষ্ঠান যার মধ্যে অন্যতম হলো কিংশুক ব্রিকস-১ ও কিংশুক ব্রিকস-২ যা ঝিনাইদহের মধ্যে পরিচ্ছন্ন, গুণে ও মানে সব থেকে বড় ইটভাটা, কিংশুক প্রেস যা ঝিনাইদহের মধ্যে মানসম্মত সব থেকে বড় প্রিন্টিং প্রেস, কিংশুক বিপনি- ঝিনাইদহের নাম করা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশের সুনামধন্য বড় যতোগুলো প্রতিষ্ঠান আছে তার প্রায় সবগুলোর ই ঝিনাইদহে ডিলার ও ডিপোডিলার জনাব হিজলের প্রতিষ্ঠান, পেট্রা প্রোডাক্ট ব্রান্ডের প্রায় শতশত ফুড আইটেম ইমপোর্ট করেন থাইল্যান্ড, জার্মানি, চায়নাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে যা ৬৪ টি জেলায় বিশাল কর্মী বাহিনী দিয়ে বাজারজাত করেন, এছাড়াও অফিস আইটেম, শিক্ষা সামগ্রী ও গিফট আইটেম ইমপোর্ট করেন ও সারাদেশে পেট্রা প্রোডাক্ট এর ব্রান্ডে বাজারজাত করেন, গড়ে তুলেছেন প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং কোম্পানি, রেডিয়েন্ট গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজের ডিরেক্টর তিনি, এছাড়াও যেসকল কোম্পানির ডিরেক্টর হিসেবে আছেন সেগুলো হলোঃ রেডিয়েন্ট ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, রেডিয়েন্ট বিজনেস কনসোর্টিয়াম লিঃ, রেডিয়েন্ট ডিস্ট্রিবিউশন লিঃ, রেডিয়েন্ট নিউট্রাসিউটিক্যালস লিঃ, পোষাক নিটওয়ারস লিঃ, রেডিয়েন্ট এক্সপোর্ট ইমপোর্ট এন্টারপ্রাইজ লিঃ, এরোমেট সার্ভিসেস লিঃ, এয়ার উইনং এভিয়েশন লিঃ (তারকিস এয়ারলাইন্স), জেনফার বাংলাদেশে লিঃ, ওনকস মলবিয়োল লিঃ, সামুটসুম প্রিন্টার্স লিঃ, রেডিয়েন্ট কেয়ার লিঃ সহ অন্যন্য।
সবগুলো প্রতিষ্ঠানই ব্যাবসা সফল, গুনে ও মানে অন্যন্য, এ প্রতিষ্ঠানগুলোতে হাজার হাজার লোকের কর্মসংস্থান চলে যেখানে অধিকাংশই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন ঝিনাইদহের জনগণ, ঝিনাইদহের ছেলেমেয়েদের বেকারত্ব দুরিকরণে এ প্রতিষ্ঠান গুলো সদায় সচেষ্ট, এসব প্রতিষ্ঠান গুলো শতভাগ ভ্যাট ও ট্যাক্স পরিশোধ করে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালিত করে, জনাব হিজল কখনোই এক টাকাও আয়কর ফাঁকি দেওয়ার চিন্তাও করেন না, শতভাগ হিসেব করে আয়কর পরিশোধ করেন নিজের বিবেকের দায়বদ্ধতা থেকে, তিনি ঝিনাইদহ জেলার সর্বোচ্চ করদাতা হয়েছেন শুধু তাই নয় গাজীপুর জেলার সর্বোচ্চ করদাতা প্রতিষ্ঠান গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো রেডিয়েন্ট গ্রুপ অব কোম্পানিজ। সরকারের পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীক সর্বোচ্চ মর্যাদা সি.আই.পি (C.I.P) হিসেবে ভূষিত হয়েছেন তিনি, সরকারকে নিজের কষ্টার্জিত আয় থেকে পুঙ্খানুপুঙ্খ আয়কর দিয়ে সরকারের উন্নয়ণে গর্বিত অংশিদার হতে পেরে আত্মতৃপ্ত হোন জনাব হিজল। সততার উজ্জল দৃষ্টান্ত তিনি, কঠোর পরিশ্রমী, মেধামননের অপূর্ব সংমিশ্রণ, সফল ও অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব ভালো একজন মানুষের নাম হিজল। আল্লাহর রহমতে ব্যবসায়ীক পরিধি দিন দিন বেড়েই চলেছে প্রডাক্টের কোয়ালিটি ও তারঁ কমিটমেন্টের কারণে।
বিদেশ ভ্রমনঃ
জনাব হিজল ব্যবসায়িক বা ব্যক্তি প্রয়োজনে পৃথিবীর অনেক দেশেই ভ্রমন করেছেন তার মধ্যে অন্যতম হলো আমেরিকা, লন্ডন, জার্মানি, ফ্রান্স, ইটালি, জাপান, সুইজারল্যান্ড, তুরস্ক, ইন্ডিয়া, পাকিস্তান, চীন, অষ্ট্রলিয়া, কানাডা, সৌদিআরব, দুবাই, ব্যাংকক, সিংগাপুর সহ আরো অনেকগুলো দেশ।
চারিত্রিক গুণাবলিঃ
তাঁর যোগ্যতা, গুনাবলি ও সক্ষমতা সম্পর্কে জানতে গেলে তাঁকে কাছ থেকে না দেখলে বিশ্বাস করা কষ্ট! তাঁর আত্মবিশ্বাস আকাশ সমান, কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ণযোগ্য ও সফলতা শতভাগ, যখন যে কাজ করেন এত বেশি শ্রম, আন্তরিকতা ও ভালোবাসা দিয়ে করেন যেন ক্লান্তিহীন, এতো বেশি পরিশ্রমী যে হারার কোনো নজির তাঁর নেই, খুব গোছালো, স্মার্ট ব্যক্তিত্ব, গতিশীল নেতৃত্ব, কর্মস্পৃহা, মানুষের সাথে মিশার সম্মোহনী শক্তি, সম্ভ্রান্ত, আভিজাত্য, মার্জিত, বিনয়ী, পরিচ্ছন্ন, সফল একজন মানুষ, চিন্তা চেতনায় উন্নত মানষিকতা পোষণ করেন, মানুষকে ভালোবাসেন হৃদয়ের গভীর থেকে, মিথ্যা নোংরামি মুক্ত, লেনদেন স্বচ্ছ পানির মতন পরিষ্কার, মুখ ও অন্তর এক, কোনো নয়ছয় বোঝেনা, নিজের বিবেকের কাছেই সৎ, সহজ ও সরলতায় ভরপুর, সজ্জন, সচ্ছল, সুভাষী, উত্তম চরিত্রের অধিকারী, বিশাল মনের অনুকরণীয় ব্যাক্তিত্ব, ভালো যতোগুণাবলী সবই তাঁর মধ্যে বিদ্যমান। তিনি আজন্ম স্বপ্ন দেখেন ও স্বপ্ন দেখান যে ঝিনাইদহ থেকে ক্ষুধা মুক্ত করবেন, দারিদ্রতা মুক্ত করবেন, শিক্ষা, চিকিৎসা নিঃশ্চিত করবেন, বেকারত্ব নিঃশ্চিহৃ করবেন, কর্মসংস্থান তৈরি করবেন, যানজট দুর করবেন, প্রশস্ত চকচকে রাস্তা নির্মাণ করবেন, সিসি ক্যামেরা দিয়ে পুরো ঝিনাইদহকে নিরাপত্তার চাদরে মুড়িয়ে ফেলবেন, সন্ত্রাস কে নির্মুল করবেন, মাদককে দুর করাসহ সমৃদ্ধ ও পরিচ্ছন্ন নগরিতে নাগরিক সকল অধিকার বাস্তবায়ণ করবেন, বিশেষ করে চিন্তা করেন কর্মসংস্থান করে দিতে যেনো ঝিনাইদহের সকল নাগরিক স্বাবলম্বী হোন, মানুষের দানের দিকে চেয়ে না থেকে নিজে কর্ম করে দারিদ্রতাকে জয় করতে পারেন, এসকল চিন্তা বুকে ধারণ করে পরিকল্পিত পরিকল্পনা করে রেখেছেন ও বাস্তবায়ণ করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বিশ্বাস করেন আজকের দিনটি হয়তো কঠিন, কালকের দিনটি আরো কঠিন, তবে নিয়ত সৎ হলে লক্ষ্য নির্দৃষ্ট হলে কোনো অপশক্তির আঘাত বা মন্তব্যই গন্তব্যে যাওয়া ঠেকাতে পারে না।
সামাজিক কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ততাঃ
-------------------------------------------------------
ঝিনাইদহ জেলার নন্দিত জননেতা, জনসম্পৃক্ত জনগণের সেবক, কর্মগুণে ঝিনাইদহের মানুষের আবেগ ও ভালোবাসায় বিরাজমান, একজন সফল নেতৃত্ব ও সফল ব্যাক্তিত্ব, মানব সেবার বাতিঘর হিজল শুধু একটা নাম নয় একটা প্রতিষ্ঠানও বটে, ঝিনাইদহের অনেক কার্যক্রমের সাথে নিজেকে জঁড়িয়ে রেখেছেন তিনি, অনেকগুলো সংগঠনকে সুসংগঠিত করে দায়িত্বপালন করে নিয়ে গিয়েছেন নতুন উচ্চতায় সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলোঃ ★সাধারণ সম্পাদক - ঝিনাইদহ জেলা ইটভাটা মালিক সমিতি, দায়িত্ব পাওয়ার পরে জেলার সকল ইটভাটার মালিকগণ এক বাক্যে স্বীকার করবে যে জনাব হিজল তাদের স্বার্থসংরক্ষণের জন্য আল্লাহর রহমত স্বরুপ হিসেবে কাজ করছেন, উনার দুরদর্শী নেতৃত্বের কারণে অনেক ক্ষতি থেকে রক্ষা পেয়েছে প্রতিটি ইটভাটার মালিক, তাঁর সততার কারণে অনেক অর্থের অপচয় রোধ হয়েছে। ★সাধারণ সম্পাদক - ঝিনাইদহ রাইফেল ক্লাব, দায়িত্ব পাওয়ার পরে রাইফেল ক্লাবকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন তিনি, ★ সাধারণ সম্পাদ-ঝিনাইদহ কমিউনিটি পুলিশ, এ সংস্থা কে আধুনিক ও সমৃদ্ধকরণে তাঁর অবদান ঝিনাইদহের প্রতিটি পুলিশ ই কৃতজ্ঞতাভরে স্বরণ করেন, এখানে অনেকগুলো অবকাঠামোগত উন্নয়ণ করে দিয়েছেন, ★পরিচালক -ঝিনাইদহ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ, এ সংস্থা কে নতুনভবন ও আধুনিকায়নে তাঁকে সকলে কৃতজ্ঞচিত্ত স্বরণ করেন, এখানে রাহুল স্মৃতি অডিটোরিয়াম নির্মাণ করে দিয়েছেন, ★সাধারণ সম্পাদক - ঝিনাইদহ শুটিং ক্লাব- ঝিনাইদহের শুটিং ক্লাবে দেশ সেরা শুটার তৈরি করে দেশ ও বিদেশে ঝিনাইদহের সুনাম তৈরিতে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য, ★কাউন্সিলর- এফবিসিসিআই, ★কাউন্সিলর- বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন, ★অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক - ঝিনাইদহ জেলা ক্রিড়া সংস্থা, ঝিনাইদহ জেলার ক্রিড়াঙ্গণে তাঁর অবদান স্বরণ করার মতো, প্রতিবছর বিভিন্ন স্কুল কলেজের মধ্যে আন্তঃ টুর্নামেন্ট খেলার আয়োজন করে থাকেন রাহুল স্মৃতি একাডেমীর মাধ্যমে যেখানে জেলার ডিসি-এসপি সম্পৃক্ত থাকেন, ★কাউন্সিলর - বিএসএসএফ, এখানে নতুন ভবন নির্মাণ করে দিয়েছেন, ★সাবেক কাউন্সিলর - বাংলাদেশে কাবাডি ফেডারেশন, ★সহ-সভাপতি-রাহুল স্মৃতি ক্রিকেট একাডেমি ঝিনাইদহ, ★সাধারণ সম্পাদক - মুসা মিয়া ডায়াবেটিস সেন্টার, ★নির্বাহী সদস্য - শামসুল হুদা ফুটবল একাডেমি যশোর, ★উপ সম্পাদক- সাম্প্রতিক দেশকাল পত্রিকা,
★সভাপতি - মুসা মিয়া বুদ্ধি প্রতিবন্ধি স্কুল, ★সভাপতি-পঞ্চগ্রাম ঈদগাহ ময়দান কমিটি ঝিনাইদহ, ★সভাপতি - পঞ্চগ্রাম কল্যাণ সমিতি ঝিনাইদহ,
★সভাপতি -হিলফুল ফুজল সমিতি ঝিনাইদহ ( ব্যাবসায়ীক ব্যাক্তিবর্গের সমাজকল্যাণ মুলক সংগঠন),
★সহ-সভাপতি- কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ঝিনাইদহ, ★সভাপতি - বায়তুল লতিফ জামে মসজিদ বেড় গোপিনাথপুর ঝিনাইদহ,
★সভাপতি - পিউল স্মৃতি ঝিনাইদহসহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন ও অবদান রাখছেন ।
নির্বাহী সদস্য -জাহেদী ফাউন্ডেশনঃ
--------------------------------------------------
বাবা মরহুম বীর ভাষাসৈনিক জাহিদ হোসেন মুসা মিয়া প্রতিষ্ঠা করে গেছেন জাহেদী ফাউন্ডেশন, জাহেদী ফাউন্ডেশন ইতিমধ্যে ঝিনাইদহবাসীর আস্হার আশ্রয়স্হলে পরিণত হয়েছে। বাবার অবর্তমানে জাহেদী ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ঝিনাইদহতে সকলধরণের মানব সেবা ও উন্নয়ণমুলক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন, তারমধ্যে কিছু সেবামুলক কার্যক্রম হলোঃ- মানবিক সকল মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে এ ফাউন্ডেশন কাজ করে থাকে, ঝিনাইদহের যেকোনো শিক্ষার্থী টাকার অভাবে পরলেই শিক্ষার দায়িত্ব নিয়ে নেন জাহেদী ফাউন্ডেশন, টাকার অভাবে কেউ যেন চিকিৎসা বঞ্চিত না হয় তার দায়িত্ব নিয়ে নেয় জাহেদী ফাউন্ডেশন, বিধবা দুঃস্থ অসহায় নারিদের ভাতার ব্যাবস্হা করে দিয়েছে জাহেদী ফাউন্ডেশন, কন্যা দায়গ্রস্ত পিতা যখন টাকার অভাবে কন্যাকে বিয়ে দিতে কষ্ট হয় তখন সহায়তার হাত সম্প্রসারীত করে জাহেদী ফাউন্ডেশন, সামাজিক, ধর্মীও, রাজনৈতিক যেকোনো কাজেই সহযোগীতা প্রদান করে জাহেদী ফাউন্ডেশন, করোনাকালীন সময়ে হাসপাতালের সিলিন্ডার, হাসপাতালের যন্ত্র সামগ্রী ও ঔষধের অভাবে যেভাবে জাহেদী ফাউন্ডেশন সহযোগীতা করেছে ঝিনাইদহসহ দেশব্যাপী তা চিকিৎসা সেবায় স্বরণীয় হয়ে আছে। মাদকমুক্ত ঝিনাইদহ গড়ার প্রত্যয়ে ঝিনাইদহের স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আন্তঃ টুর্নামেন্ট খেলার ব্যবস্হা করে প্রতিনিয়ত জাহেদী ফাউন্ডেশনের অর্থায়নের মাধ্যমে, শিক্ষার সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে কোটি কোটি টাকা ব্যায় করে ভবন নির্মাণ ও শিক্ষা সাম্গ্রীর ব্যবস্হা করে দেয় জাহেদী ফাউন্ডেশন, হাসপাতাল গুলোতে এম্বুলেন্স ও গাড়ীর ক্রয় করে দিয়েছে জাহেদী ফাউন্ডেশন, হাসপাতালগুলোতে ভারিযন্ত্র ও চিকিৎসা সাম্গ্রী ঝিনাইদহসহ সারা দেশ ব্যাপি প্রদান করে জাহেদী ফাউন্ডেশন, ঘরহীন বহু মানুষের ঘরের ব্যাবস্হা করে দিয়েছে জাহেদী ফাউন্ডেশন, কোরবানি ঈদে বহুবছরধরে কোরবানির মাংস ও ঈদুল ফিতরে খাদ্য সাম্গ্রী বিতরণ করে দুস্তদের মাঝে, প্রতিবছরের ন্যায় এবারের কোরবানিতেও নিজেস্ব অর্থায়ণে প্রায় ৬৫ হাজারের অধিক ঝিনাইদহের গরীবের মাঝে মাংস ও নগদ টাকা প্রদান করেছে জাহেদী ফাউন্ডেশন, অনুরুপভাবে ঈদুল ফিতরে চাউল, ডাউল, তেল, কাপড় ও নগদ টাকা বিতরণ করে আসছে বিগত বহুবছর ধরে জাহেদী ফাউন্ডেশন। ঝিনাইদহের ডিসি অফিসের সামনে সৌন্দর্য্য বর্ধক কারুকাজ ও ভবন নির্মাণ, এসপি অফিসে উঠান বৈঠক ও বহু স্হাপনা নির্মাণ সহ বহু প্রতিষ্ঠানে অকাতরে ব্যায় করে জাহেদী ফাউন্ডেশন, বহু নয়ানাভীরাম মসজিদ করে দিয়েছে ঝিনাইদহসহ সারা দেশে, মাদ্রাসা ও হিফজখানা তৈরি করেছেন, স্কুল, কলেজ নির্মাণ করেছেন, ঝিনাইদহে খুব কম প্রতিষ্ঠানই আছে যেখানে জাহেদী ফাউন্ডেশনের অবদান শুন্য, শীতকালে অস্বচ্ছল পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়, নারিকেলবাড়িয়া আমেনা খাতুন কলেজে ৩ তলা বিশিষ্ট মুসামিয়া একাডেমিক ভবন নির্মাণ, যশোর কালেক্টরেট স্কুলে ৬ তলা বিশিষ্ট জাহানারা হুদা একাডেমিক ভবন নির্মাণ,যশোর বাঘারপাড়া মহিলা কলেজে সাড়ে চার কোটি টাকা ব্যায়ে ৪ তলা বিশিষ্ট সামছুল হুদা একাডেমিক ভবন নির্মাণ, ঝিনাইদহ কাঞ্চননগর স্কুল এন্ড কলেজে জাহেদী ফাউন্ডেশন একাডেমিক ভবন নির্মাণ, ঝিনাইদহ জেলা বিসিডিএস এর নতুন ভবন, ঝিনাইদহ সিদ্দিকিয়া মাদ্রাসা জামে মসজিদ কম্প্লেক্স নির্মাণ , হরিণাকুণ্ড বাজার জামে মসজিদ নির্মাণ, গন্ডারিয়া বাইতুল তারহীব জামে মসজিদ নির্মাণ, চুয়াডাঙ্গা হক পাড়ায় দ্বীতল বিশিষ্ট মসজিদ নির্মাণ, বাইতুল মুসা মিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা নির্মাণ, সম্প্রসারীত ভবন পুলিশ লাইন্স মডেল স্কুল, যশোর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এ নাহিদা জাহেদী ল্যাবরটরি ভবন নির্মাণ, এবং ঝিনাইদহ চেম্বার অফ কমার্সে রাহুল স্মৃতি অডিটরিয়াম নির্মাণ, ঝিনাইদহ পুলিশ লাইনসে স্যলুটিং ডায়াস ও বৈঠকখানা ঘর নির্মাণ, প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষা বিকাশের জন্য মুসামিয়া বুদ্ধিবিকাশ ৫ তলা বিদ্যালয় নির্মাণ করা হয়েছে, ঝিনাইদহ পৌরসভা স্কুল এন্ড কলেজে ছাত্রছাত্রীদের যাতায়াতের জন্য স্কুলবাস প্রদান করা হয়েছে, ঝিনাইদহে আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি বিস্তারের লক্ষ্যে ভাষাসৈনিক মুসামিয়া আইসিটি ইনকিউবেটর এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টার নির্মাণ করা হয়েছে, ডায়াবেটিস রোগীদের উন্নত সেবা দেবার লক্ষ্যে ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলায় নির্মাণ করা হয়েছে মুসামিয়া ডায়াবেটিক সেন্টার, আন্তর্জাতিক মানসম্মত ফুটবল খেলোয়াড় তৈরির লক্ষ্যে যশোরে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে শেখ শামছুল হুদা ফুটবল একাডেমি, কক্সবাজার উখিয়ায় রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে আবাসস্থান ও দৈনন্দিন খাবারের ব্যবস্থা, ময়মনসিংহে মানবসেবায় অনেক সহযোগীতা ও স্হাপনা নির্মাণ চলমান, সিলেটে বন্যা কবলিত মানুষের পাশে সাহায্যের হাত সম্প্রসারণ করেছে জাহেদী ফাউন্ডেশন, সারা দেশের ক্যাডেট কলেজে শিক্ষা সামগ্রী ও স্হাপনা নির্মাণ, প্রতিমাসে এতিম, বিধবা, কন্যাদায়গ্রস্ত পিতা এবং সামর্থ্যহীন অসুস্থ ব্যক্তিদের চিকিৎসা সহায়তা, নারীদের আত্ন সামাজিক উন্নয়ণে, স্বাবলম্বী করে তুলতে, কর্মসংস্থানের ব্যাবস্হা করে যাচ্ছে জাহেদী ফাউন্ডেশন, বঞ্চিত, নিষ্পেষিত, অসহায় মানুষের পাশে সহায়তার হাত সদাই সম্প্রসারীত করে রেখে জাহেদী ফাউন্ডেশন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে মাসিক সাহায্য প্রদান ও এককালীন সহযোগিতা প্রদান করা হয়ে থাকে, ঝিনাইদহে আন্তর্জাতিক মানের মেডিক্যাল হাসপাতাল ও কলেজ নির্মাণের জন্য জমি ক্রয় করা হয়েছে ঝিনাইদহ কালিগন্জের রাস্তার পাশে, বিশ্বমানের স্কুল ও কলেজ করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ও জমি কেনা হয়েছে, যেখানেই মানবিক প্রয়োজন -সেখানেই জাহেদী ফাউন্ডেশন, দুর্যোগ, মাহামারীকালীন সময়ে বাংলাদেশ সরকারের পাশে সহযোগীতার হাত সম্প্রসারীত করেন জাহেদী ফাউন্ডেশন, ঝিনাইদহ সহ দেশ ব্যাপি সময়ের প্রয়োজনে জাহেদী ফাউন্ডেশনের সহযোগীতা সদা অব্যাহত। জাহেদী ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমগুলো প্রচার বিমুখ, প্রচার করতে নিরুৎসাহিত করা হয়, অধিকাংশই নীরবে-নিভৃতিতে, গোপনে কার্যক্রমগুলো পরিচালিত করা হয় শুধু আল্লাহ রাব্বুল আলামীনকে রাজি-খুশি করার জন্য, মানব সেবার দায়বদ্ধতা থেকে, যে কারণে নিজের উদ্যোগে জনাব হিজল সম্পর্কে জানতে গিয়ে যতটুকু জেনেছি তাই তুলে ধরতে চেষ্টা করেছি এছাড়াও না জানা হাজারো কার্যক্রম করে থাকে ঝিনাইদহসহ সারা দেশে লোকচক্ষুর অন্তরালে, মানুষের জন্য কিছু করতে পারাটাই মনুষত্ব্যে ধর্ম, এ মানব সেবা নিঃস্বার্থ, মানুষের জন্য কিছু করতে পারার মানুষিক আত্নতৃপ্তি, এ মানব সেবা জমিদার দাদা করে গেছেন, বাবা মুসা মিয়া করেছেন, এখন হিজলভাইসহ বাঁকী ভাই মিলে চলমান রেখেছেন, এ মানবসেবার কার্যক্রমকে আল্লাহ অব্যাহত রাখার তৈফিক দান করুন প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম।
পারিবারিক পরিচিতি
---------------------------------
জনাব হিজলের সাত ভাই এক বোন ও তাঁদের সন্তান মিলিয়ে অনেক বড় ও সমৃদ্ধশালী পরিবার। বড় ভাই দেশ বরেণ্য শিল্পোপতি, রেডিয়েন্ট গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান নাসের শাহরিয়ার জাহেদী মহুল, তিনি ঝিনাইদহ ক্যাডেট থেকে এস এস সি ও এইচ এস সি পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফার্মাসী ডিপার্টমেন্ট থেকে বি ফার্ম ও এম ফার্ম শেষ করেন, ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি, ঝিনাইদহ জেলা সমিতির সভাপতি। মেঝভাই ছিলেন মরহুম রাহুল যিনি বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী ছিলেন, জীবনদশায় ঝিনাইদহের শ্রেষ্ঠ করদাতা ছিলেন, সেঝভাই পিপল, তিনি প্রখর মেধাবী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আই বি এ র ছাত্র ছিলেন বর্তমানে বিশিষ্ট শিল্লপতি ধনাঢ্য ব্যাক্তিত্ব, চতুর্থ হলেন হিজল, পঞ্চম ভাই ইঞ্জিনিয়ার সজল, সফল-ধনাঢ্য ব্যক্তিত্ব, বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী ও রেডিয়েন্ট গ্রুপে অব কোম্পানিজের ডিরেক্টর, ষষ্ঠ ভাই উজ্জ্বল, গ্রাফিক্স আর্টস এন্ড ডিজাইন থেকে উচ্চতর ডিগ্রী নিয়ে লেখাপড়া শেষ করেন, গড়ে তুলেছেন স্বনামধন্য শিল্পপ্রতিষ্ঠান, ধনাঢ্য শিল্লপতি ও সফল ব্যাক্তিত্ব, ছোট ভাই প্রজ্জ্বল নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লেখাপড়া শেষ করে দেশি-বিদেশি অনেকগুলো শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন, একজন সফল ব্যাবসায়ী ও বিশিষ্ট শিল্লপতি, দেশে ও বিদেশে তারঁ কার্যক্রম বিস্তৃত, ধনাঢ্য ব্যাক্তিত্ব। এক মাত্র বোন জামাতা বন্দে আলী বোরাক সাবেক ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি, বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব, কর্মজীবনে রেডিয়েন্ট গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের ডিরেক্টর তাঁর মেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও দুই ছেলে কানাডা, অষ্ট্রলিয়ায় বসবাসরত।
২০২২-মেয়র নির্বাচনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ঃ
---------------------------------
ঝিনাইদহ শহরে জন্ম, এখানেই বেড়ে ওঠা, শহরের উত্থান-পতনের সাথে কেঁটে গেছে শৈশব-কৈশোর, যৌবনের পুরোটা সময়, জীবনের সকল সফলতা ও ব্যর্থতার গল্প এই শহরকে ঘিরেই, এ নগর অনেক দিয়েছে, দিয়েছে একটা পরিচয় যে আমি ঝিনাইদহের সন্তান, সে দায়বদ্ধতা অনুভব করে ঝিনাইদহবাসীর জন্য ক্ষুুধামুক্ত, বেকারত্বমুক্ত, নিরাপদ, আধুনিক, সমৃদ্ধশালী নগরীর স্বপ্ন দেখেন। যে স্বপ্ন আজন্ম দেখে গেছেন বাবা বীর ভাষাসৈনিক মুসা মিয়া, স্বপ্ন দেখেন দাদাভাই নাসের শাহরিয়ার জাহেদী মহুল ও পরিবারের প্রতিটি সদস্য, জনাব হিজল ও তাঁর পরিবার শুধু নিজেদের ভালো থাকা নিয়ে চিন্তা করে না, নিজেদের পাশাপাশি পুরো ঝিনাইদহবাসিকে একটা পরিবার হিসেবে মনে প্রাণে ধারণ করেন, সেজন্য যুগযুগ ধরে ঝিনাইদহের মানুষের জন্য নিজেদের কষ্টার্জিত শতশত কোটি টাকা ব্যয় করছেন মেহনতী খেটে খাওয়া মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ণের জন্য, শিক্ষা বিস্তার, চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত সহ সকল সমস্যা সমাধানে বটবৃক্ষের ন্যায় জাহেদী ফাউন্ডেশনের মানবিক কার্যক্রম পরিচালিত করে আসছেন, কিন্ত সামাজিক কার্যক্রম করতে গিয়ে নানাবিধ প্রতিকুলতার সম্মুখিন হতে হয়, এছাড়াও তিনি দীর্ঘদিন ধরে লক্ষ্য করছেন যে সকল ক্ষেত্রে ঈর্ষান্বিত উন্নয়ণ হচ্ছে পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে কিন্তু সে উন্নয়ণের প্রভাব নেই ঝিনাইদহ নগরীতে, জনদূরভোগ কতটুকু তা জনগনই অনুধাবন করেন, যানজটের কারণে জনজীবন অতিষ্ঠ, অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠায় এনগরী অনেকটাই অগোছালো, খাদ্য-স্বাস্থ্য চিকিৎসাসেবা পরিকল্পিত ও বাস্তবায়ণ যোগ্য হওয়া প্রয়োজন, বিশুদ্ধ পানি ও আবাসিক পানি সরবরাহ অপ্রতুল কিন্তু উচ্চহারে পানির বিল নেওয়া হয় যা বন্ধ করে যৌক্তিক সর্বনিম্ন ফি নির্ধারণ এখন সময়ের দাবি, নাগরিক সেবা ও আয়কর ব্যবস্থা অপরিকল্পিত যা যৌক্তিক ও সহনীয় পর্যায়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন, বাড়ি তৈরি প্ল্যানের ফি আকাশচুম্বী, সময়সাপেক্ষ ও জটিল প্রক্রিয়া যা সহজ ও সহনীয় পর্যায়ে আনা জনগণের দাবি, ট্যাক্স না বাড়িয়ে সেবার মান বৃদ্ধি ও পৌরসভাকে ডিজিটাল করে সহজ ও ঝামেলামুক্ত সেবা নিশ্চিত করা প্রয়োজন, বর্জ্য নিষ্কাশন দুরাবস্থা, পৌরসভার রাস্তাঘাট ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভঙ্গুর হয়ে পড়েছে, খাওয়ার পানির হাহাকার, হাট-বাজার,ফুটপাত ও হকার ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, চাঁদাবাজিতে নাকানি-চুবানি খাচ্ছে নগরবাসী ও ব্যবসায়ীরা, মশার উৎপাতে জনজীবন অতিষ্ঠ, রাস্তায় যত্রতত্র পার্কিং তার কোন প্ল্যানিং নেই এই শহরে, ইজিবাইকের প্রতিবছর নবায়ন ফি অতিরিক্ত ও অমানবিক, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যাত্রী ছাউনী বা বিশ্রামাগারেরন অভাব, পাবলিক টয়লেট অপ্রতুল, ময়লা ফেলার সুপরিকল্পিত পরিকল্পনা নেই, শহরের প্রবেশ ও বহির্গমন পথের রাস্তাগুলো অপ্রশস্ত, ওয়ান ওয়ে বা টু ওয়ে না থাকায় সীমাহীন জানজট, পৌর এলাকার সৌন্দর্যের অপ্রতুলতা, নবগঙ্গা নদীর রূপহীন বয়ে চলা, সন্ত্রাস দুর্নীতির রামরাজত্ব চলে এ শহরে, মাদকের ছয়লাব, সর্বত্র ভীতিকর পরিবেশ বিরাজমান, বহুবছর আগে ঝিনাইদহ নগরী যে রকম দুরাবস্হার মধ্যে ছিলো সে অবস্থার অপরিবর্তনীয়, এরকম শত শত সমস্যায় জর্জরিত ঝিনেদা নগরী, জনগণের এ দুরাবস্থা অনুধাবন করেন তিনি জনাব হিজল, ঝিনাইদহের জনগণ এ সমস্যাগুলো থেকে মুক্তি চায়, একজন যোগ্য, সৎ, মানবিকগুনাবলী সমৃদ্ধ নেতৃত্ব চায়, তাই জীবনমান উন্নয়ণের দায়বদ্ধতা থেকে সকল সমস্যার সমাধানকল্পে মেহনতী ও সুশীল সমাজের জোরালো দাবির প্রেক্ষিতে মেয়র প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তিনি মেয়র হতে চান। ঝিনাইদহে প্রতিবছরের টাকা যদি দুর্নীতি মুক্ত করে পরিপূর্ণ পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ণে ব্যয় করতে হয়, কর্মসংস্থানের জন্য বা মৌলিক সমস্যা সমাধানের জন্য তবে দরকার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা, দেশি-বিদেশি টাকা বুঝে শুনে প্রতিটি মন্ত্রণালয় থেকে ও দাতা সংস্থা থেকে ঝিনাইদহতে আনতে গেলে পরিপূর্ণ ধারণা থাকা দরকার, যোগ্যতা থাকা দরকার, তিনি বিশ্বাস করেন এ সকল গুনাবলীই তাঁর আছে এবং সম্ভব সর্বোচ্চ বাজেট এনে শতভাগ দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি মুক্ত করে ঝিনাইদহের পরিকল্পিত উন্নয়ণ করতে পারবেন এবং এই অর্থের সাথে জাহেদী ফাউন্ডেশনের অর্থও যুক্ত করে ঝিনাইদহ থেকে সকল সমস্যা দূর করতে পারবেন যা অন্য নিকটতম প্রার্থী কতোটুকু পারবে তা বিবেচনার দাবি জনগণই করবে।
ঘটনাবহুল মেয়র নির্বাচন ২০২২ঃ
তিনি ২০২২ সালে ঝিনাইদহ পৌর মেয়র নির্বাচন করছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নারিকেল গাছ প্রতিক নিয়ে কিন্ত বিধিবাম হায়েনার দল, যারা ঝিনাইদহে এতোদিন সন্ত্রাসের রামরাজত্ব কায়েম করে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার মধ্যে ছিলো তারা জনাব হিজলের মেয়র প্রার্থী হওয়া মেনে নিতে পারেনি সরকারি টাকা লুটেপুটে খাওয়া বন্ধ হয়ে যাবার ভয়ে তাই তারা জনাব হিজলের বাড়ী,গাড়ী ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে হামলা করে, লুটপাট করে ব্যপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে তার দুদিন পরে জেলা আওয়ামীলীগের সকল নেতৃবৃন্দ এসে সমবেদনা প্রকাশ করেন, এর পরে ঢাকা থেকে নির্বাচন কমিশনার এসে ডিসি, এসপি সহ সকল উর্দ্ধতন সরকারী আমলা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সামনে আওয়ামীলীগের প্রার্থীসহ সকলের হাতে হাত রেখে শপথবাক্য পাঠ করান যেকমিশনারনো অদুরভবিষৎ এ ধরণের সন্ত্রাসী কার্যক্রম কেউ না করে কিন্ত সন্ত্রাসের গডফাদাররা জনাব হিজলের ব্যপক জনপ্রিয়তার কারণে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে ফলে নির্বাচন ঝিনাইদহ থেকে যাওয়ার দুদিন পরেই হত্যার উদ্দেশ্যে জনাব হিজলের নির্বাচনী প্রচারণায় ভারী অস্ত্র সহ হামলা করে, রামদা দি জনাব হিজলের মাথায় আঘাত করে যা ছিলো গুরুতর জখম, আল্লাহ হেফাজত করেছেন তাই হয়ত বেঁচে আছেন, সন্ত্রাসীরা সেদিন জনাব হিজলের সেঝভাই জনাব পিপলসহ ১৫/১৬ জনকে নির্মমভাবে জখম করেছিলো এঘটনার পরের দিন নির্বাচন কমিশনার আওয়ামীলীগের প্রার্থীর প্রার্থীতা বাদ করে দিয়েছিলেন, সব চেয়ে আশ্চর্যের বিষয় ছিলো যে আক্রমণের পরের দিন বিকেল ৪ টায় ঝিনাইদহের পায়রা চত্তরে জনাব হিজলের বিরুদ্ধে ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামীলীগ প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করেছিলেন বিষয় ছিলো ঃ জনাব হিজল নাকি তাদের উপর আক্রমণ করেছিলো! এট ছিলো সম্পূর্ণ মিথ্যা কাল্পনিক, বানানো নাটক যা ঝিনাইদহবাসী আজো মেনে নিতে পারে না, তারা আশ্চর্য হয়েছিলো কীভাবে একটা জেলার বৃহত্তর দল অন্যায়কে সমর্থ করলো! উপরোক্ত ঘটনা ঝিনাইদহের নির্বাচনের ইতিহাসে কালো অধ্যায় হয়ে থাকবে। ঘটনা হাইকোরটে এ বিচারাধীন তারা নিজেদের প্রার্থীতা ফিরে পেয়েছে আবার নির্বাচন কমিশনার সুপ্রিমকোর্টে আবেদন করে আওয়ামীলীগের প্রার্থীতা বাতিল বহাল রাখতে কিন্তুু সে আবেদন খারিজ করে দেয় সুপ্রিমকোর্ট ফলে ৪ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনার জনাব হাবিব ঝিনাইদহ এসে সকল প্রার্থীর সামনে রেখে ডিসি, এসপি সহ জেলার সকল উর্দ্ধতন কর্মকর্তার সামনে নিয়ে ১১ সেপ্টেম্বর নির্বাচনের তারিখ ঘোষনা করেন আর কোনো সন্ত্রাস করবে না কেউ এই শর্তে।
জনাব হিজল মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য শরীরের রক্ত ঝড়িয়েছেন, জীবনকে বাঁজি রেখেছেন, জান মালের ক্ষতি মাথা পেতে নিয়ে মাস্তান, সন্ত্রাসী, হায়েনা বাহিনীর রক্ত চক্ষু উপেক্ষা করে শান্তিকামি নগরবাসীর মুক্তির আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, জীবনের সব কিছু ই শুধু ঝিনাইদহের মাটি ও মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের স্বার্থে, উন্নয়নের জন্য, গরিবের মুখে হাসি ফোঁটানোর জন্য। ঝিনাইদহের জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দিতে, শতভাগ পেশিশক্তি মুক্ত নিরাপদ নির্বাচন উপহার দিতে যা যা প্রয়োজন তা নিশ্চিত করতে তিনি বদ্ধপরিকর, সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলার মতন গতিশীল, চৌকস, বিচক্ষণ, সন্ত্রাসমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত, আস্থাভাজন নেতৃত্ব তিনি, সময়ের সাহসী সন্তান , তিনি ঝিনাইদহের পায়রা চত্বর থেকে শান্তির পায়রা উড়িয়ে দলমত নির্বিশেষে সকলকে সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ করতে চান, সকলদলের নেতৃবৃন্দকে ঝিনাইদহের উন্নয়ণের জন্য এক মঞ্চে আনতে চান, সন্ত্রাস নৈরাজ্য কে বিদায় দিয়ে উন্নত ও সমৃদ্ধিশালী শহর উপহার দিতে চান, একটা আদর্শিক পৌরসভায় নাগরিক সকল সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে চান, এ শহরে সকলধরণের সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি বন্ধ করতে তিনি বদ্ধপরিকর। জনাব হিজল ঝিনাইদহের কৃতিসন্তান, ঝিনাইদহবাসীর গর্ব, এমন পারিবারিক ঐতিহ্যসমৃদ্ধ, সফল যোগ্য ব্যাক্তিত্বকে আল্লাহ ঝিনাইদহের নেতৃত্ব হিসেবে কবুল করুক এমনটাই প্রত্যাশা, আল্লাহ তাকে দীর্ঘ ও নেক হায়াত দান করুক, ঝিনাইদহের প্রতিটি নাগরিকেরই উচিৎ ঝিনাইদহের উন্নয়ণে এসুযোগ কাজে লাগানো, নিজের ও সন্তানের ভবিষত নিরাপদ ও সুন্দর জীবনের জন্য, এমন সুযোগ বারবার আসবেনা, গত ৫০ বছরে এমন নেতৃত্বের অভাবেই ঝিনাইদহ উন্নয়ণ বঞ্চিত তাই ভাগ্যণ্নায়নের এ সুযোগ হাত ছাড়া করা যাবেনা, নিজেদের ভালো রাখার স্বার্থে, পরিবারকে ভালো রাখতে, শহরকে নিরাপদ রাখতে, অনাগত ভবিষত প্রজন্মের জন্য নিরাপদ, বাসযোগ্য, সন্ত্রাসমুক্ত নগরী গড়ে তুলতে যে সুযোগ গত ৫০ বছরে আসেনি সে সুযোগ যেহেতু একবার পেয়েছে জনগণ সেই সুযোগ একবারের জন্য হলেও ঝিনাইদহের জনগন কাজে লাগাবে, জনাব হিজল ও তার পরিবার পৌরসভার এক টাকাও তসরুফ করবে না কারণ তিনি ধনাঢ্য শিল্লপতি, অর্থ , বৃত্তের কোনো অভাব নাই বরং তাঁরা পারিবারিকভাবে ই শতশত কোটি টাকা মানব সেবায় ব্যায় করে অকাতরে, এমন নেতৃত্বর সুযোগ কোনোভাবেই ঝিনাইদহবাসী হেলায় হারাবেনা বলেই আশা না বিশ্বাস, সকলের দোয়া কামনা করি তিনি যেনো আগামী নির্বাচনে মেয়র হয়ে ঝিনাইদহকে তিলোত্তমা নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন আল্লাহ তাঁকে সেই তৈফিক দান করুক (আমিন)।

এই বিভাগের আরো খবর ::

নামাজের সময়সূচী

তারিখ ০৭ অক্টোবার ২০২২

  • ফজর

    ৫:১৭

  • যোহর

    ১২:১৩

  • আছর

    ৪:৪৫

  • মাগরিব

    ৫:৫২

  • এশা

    ৭:০৪

  • সূর্যোদয় : ৬:৩৪
  • সূর্যাস্ত : ৫:৫২
Image

অনলাইন জরিপ

করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ‘লকডাউন’ নিয়ে আপনি কি মনে করছেন?