শুক্রবার, ০৭ অক্টোবার ২০২২ , ২২ আশ্বিন ১৪২৯

Ads

প্রকাশ :০২ আগষ্ট ২০২২ , ১১:৩৯ AM

আল-কায়েদা প্রধান জাওয়াহিরি মার্কিন হামলায় নিহত

single image

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে মার্কিন ড্রোন হামলায় আল কায়েদার শীর্ষ নেতা আয়মান আল জাওয়াহিরি নিহত হয়েছেন। এক বক্তব্যে এ দাবি জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তবে, হামলার নিন্দা জানিয়ে একে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে বর্ণনা করেছে তালেবান।

রোববার আল কায়দার বিরুদ্ধে সিআইএ এর চালানো বড় ধরনের আক্রমণে জাওয়াহিরি নিহত হন বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।


প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন, এ বছরের শুরুর দিকে গোয়েন্দা তথ্যে জানা যায়, কাবুলে অবস্থান করছেন জাওয়াহিরির পরিবার। হামলার সময় জাওয়াহিরি তার বাড়ির বারান্দায় অবস্থান করছিলেন।

এদিকে, কাবুলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে তালেবান। যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাস বিরোধী এই কার্যক্রমে কোনো বেসামরিক বা জাওয়াহিরি পরিবারের কেউ নিহত হয়নি বলেও নিশ্চিত করেছে হোয়াইট হাউস।

২০১১ সালে আল-কায়দার নেতা ওসামা বিন লাদেন নিহত হওয়ার পর জাওয়াহিরির মৃত্যু জঙ্গি সংগঠনটির জন্য বিশাল ধাক্কা।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, ন্যায় বিচার নিশ্চিত হয়েছে। নাইন ইলেভেনের ৩ হাজার মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী, আল-কায়দার শীর্ষ নেতা, ওসামা বিন লাদেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী আয়মান আল জাওয়াহিরি, আমার নির্দেশে ড্রোন আক্রমণে নিহত হয়েছে। বিশ্ববাসীকে এখন আর আতঙ্কে থাকতে হবে না যে কখন কোথায় আল-কায়দার হামলা হলো। আমেরিকার জনগণের জন্য হুমকি যেকোন সন্ত্রাসী যেখানেই লুকিয়ে থাকুক আর যত সময়ই লাগুক, আমরা তাদের খুঁজে বের করবো এবং বিচার সুনিশ্চিত করবো।

২০০১ সালে টুইন টাওয়ার হামলার মাস্টারমাইন্ড, আল-কায়দা প্রধান আয়মান আল জাওয়াহিরিকে হত্যা করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টা অনেক দিনের। শেষ পর্যন্ত সে চেষ্টায় সফলতার দাবি প্রেসিডেন্ট বাইডেনের।

এ বছরের শুরুর দিকে জাওয়াহিরির খোঁজ পায় যুক্তরাষ্ট্র। তখন থেকেই তার গতিবিধির ওপর সাবধানতার সাথে নজর রাখে সি আই এ। ৭ মাস নজরদারির পর অবশেষে তাকে হত্যা করতে সক্ষম হয় মার্কিন বাহিনী।

বেসামরিক বিমান ছিনতাই করে ২০০১ সালে নিউ ইয়র্কের বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্র (টুইন টাওয়ার), পেন্টাগন আর পেনসিলভানিয়ায় আত্মঘাতী হামলা চালিয়ে ৩ হাজারের বেশি মানুষকে হত্যার ঘটনার অন্যতম পরিকল্পনাকারী হিসেবে বিবেচনা করা হয় মিশরীয় চিকিৎসক জাওয়াহিরিকে, যিনি সে সময় ছিলেন ওসামা বিন লাদেনের শীর্ষ উপদেষ্টা।

আল জাওয়াহিরি ছিলেন সার্জন। সৌদি আরবের জেদ্দা থেকে চিকিৎসাবিদ্যায় করেন পড়াশোনা। শৈশবে আয়মান বিদ্যালয়ে প্রথম সারির ছাত্র ছিলেন, কবিতা ভালোবাসতেন এবং ঘৃণা করতেন যেকোনো হিংসাত্বক খেলা। সেখান থেকে তিনি হয়ে উঠেন কুখ্যাত জঙ্গি সংগঠন আল-কায়দার দ্বিতীয় বড় নেতা। ছিলেন বিন লাদেনের সবচেয়ে কাছের মানুষ। তার হাত ধরেই গড়ে ওঠে পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী সংগঠন আল-কায়দা। ১৯৯০ সালে তিনি আল কায়েদার সঙ্গে যুক্তই হয়েছিলেন পশ্চিমা বিশ্বের ওপর বিভিন্ন সন্ত্রাসী হামলা চালানোর উদ্দেশ্যে।

এই বিভাগের আরো খবর ::

নামাজের সময়সূচী

তারিখ ০৭ অক্টোবার ২০২২

  • ফজর

    ৫:১৭

  • যোহর

    ১২:১৩

  • আছর

    ৪:৪৫

  • মাগরিব

    ৫:৫২

  • এশা

    ৭:০৪

  • সূর্যোদয় : ৬:৩৪
  • সূর্যাস্ত : ৫:৫২
Image

অনলাইন জরিপ

করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ‘লকডাউন’ নিয়ে আপনি কি মনে করছেন?