মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২ , ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

Ads

প্রকাশ :০২ এপ্রিল ২০২২ , ০১:৩২ PM

সেহরি-ইফতারে কী খাবেন?

single image

এবার রোজা গরমকালে পড়েছে। শীতকালের তুলনায় গরমকালে রোজা রাখাটা একটু কষ্টকর! কারণ তাপমাত্রার প্রকোপ থাকে বেশি এবং রোজার সময়ের ব্যবধানও হয় বেশি। তাই চেষ্টা করুন সারাদিন রোজা রাখার পর কিছু স্বাস্থ্যকর এবং শরীর ঠান্ডা রাখে এমন খাবার খাওয়ার। তাই সারা দিন রোজা রাখার সঙ্গে নিজেকে সুস্থ রাখাও জরুরি। আসুন জেনে নেওয়া যাক, কোন খাবারগুলো আপনাকে রোজায় সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

ইফতারের সময়
ইফতারে এমন খাবার রাখবেন, যাতে প্রাকৃতিক চিনির জোগান থাকে এবং যা দ্রুত শক্তি জোগাতে সাহায্য করে।

পানীয় : পানি, ফলের শরবত, স্মুথি, দুধ- এগুলো পানীয়ের অন্তর্ভুক্ত। দুধ ও ফল দিয়ে বানানো ড্রিংকস যেমন ব্যানানা শেক, ম্যাঙ্গো শেক প্রাকৃতিকভাবে সুগার ও ক্যালরির ভালো উৎস। অতিরিক্ত চিনি দেওয়া শরবত বা কৃত্রিম ফলের জুস খাওয়া যাবে না। ঘরে তৈরি ফ্রেশ ফলের জুস নিন।

খেজুর : খেজুর শর্করা ও খনিজ যেমন পটাশিয়াম, কপার, ম্যাঙ্গানিজ এবং আঁশের অনেক ভালো উৎস। ইফতারে তাই দুটি করে খেজুর খান।

ফল : ইফতারে ফল ডিহাইড্রেশন দূর করে। বিশেষ করে পানিসমৃদ্ধ ফল যেমন তরমুজ, আনারস, বাঙ্গি, কমলা, মাল্টা, নাশপাতি খান।

স্যুপ : সবজি ও চিকেন দিয়ে তৈরি স্যুপ রাখা ভালো। মাঝেমধ্যে ছোলা, পিঁয়াজু ও বেগুনির বদলে আমরা স্যুপ রাখতে পারি।

দই : দইয়ে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, আয়োডিন ও ভিটামিন ডি থাকে, সহজে খাবার হজম করে। ইফতারে তাই দই, চিড়া-মুড়ি খেতে পারেন। সাহরিতেও খাওয়ার পরও দই খেতে পারেন।

কাঁচা ছোলা : রান্না ছোলার থেকে কাঁচা ছোলায় পুষ্টিগুণ বেশি। রান্না করলে যে তেল মসলা খাওয়া হতো, সেটা থেকেও বাঁচা যায়। ছোলায় ভিটামিন, খনিজ লবণ, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস ও উচ্চ প্রোটিন রয়েছে। শরীরে শক্তির জোগান দিতে এর কোনো বিকল্প নেই।

রাতের খাবার
ইফতারের পর রাতে হালকা খাবার খাওয়াই উত্তম। রাতে লাল আটার রুটি, পাস্তা, ভাত অল্প পরিমাণে খাবেন। প্রোটিনের উৎস হিসেবে বিনস, ডাল ও আঁশের চাহিদা পূরণের জন্য সালাদ থাকতে পারে।

সেহরির খাবার
সেহরিতে শস্যযুক্ত খাবার রাখতে হবে। যেসব খাবার ধীরে ধীরে হজম হবে ও সারা দিন এনার্জি দেবে। যেমন: ওটস/কর্নফ্লেক্স: পানি, দুধ বা দই দিয়ে খাওয়া যায়, সঙ্গে ফল, বাদাম।

সবজি ও সালাদ : সেহরিতে খাবারের সঙ্গে ভিটামিন, মিনারেলস ও পানীয়ের উৎস হিসেবে সালাদ ও সবজি থাকবে।

মনে রাখবেন, সেহরি আজানের আধা ঘণ্টা আগে শেষ করবেন। সেহরি শেষে তাড়াহুড়া করে বেশি পানি পান করবেন না। ভাজা-পোড়া, তৈলাক্ত ও মিষ্টিজাতীয় খাবার বর্জন করুন। বিশেষ করে সেহরিতে মিষ্টি খাবেন না, এতে তৃপ্তি হরমোন লেপটিন কমে যায়, ফলে ক্ষুধা বেড়ে যায়। চা, কফি পানিশূন্যতা বাড়ায়। খেজুর ও সাধারণ পানি দিয়ে রোজা ভাঙা উচিত।

এই বিভাগের আরো খবর ::

নামাজের সময়সূচী

তারিখ ১৭ মে ২০২২

  • ফজর

    ৫:১৭

  • যোহর

    ১২:১৩

  • আছর

    ৪:৪৫

  • মাগরিব

    ৫:৫২

  • এশা

    ৭:০৪

  • সূর্যোদয় : ৬:৩৪
  • সূর্যাস্ত : ৫:৫২
Image

অনলাইন জরিপ

করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ‘লকডাউন’ নিয়ে আপনি কি মনে করছেন?