মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২ , ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯

Ads

প্রকাশ :৩১ মে ২০২১ , ০৫:১৩ AM

অধ্যাপক ডাঃ এমএ আজিজের জন্মদিনে নোয়াখালী জেলা স্বাচিপের শুভেচ্ছা

single image

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অংগসংগঠন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) এর মহাসচিব ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য ও ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের অন্যতম সদস্য সাবেক ছাত্রনেতা অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজের জন্মদিনে শুভেচ্ছা অভিনন্দন জানিয়েছে আওয়ামী লীগ সমর্থিত স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ( স্বাচিপ) নোয়াখালী জেলা কমিটি।

৩১শে মে স্বাচিপ নোয়াখালী কমিটির যৌথ বিবৃতিতে স্বাচিপ সভাপতি ডাঃ ফজলে এলাহী খাঁন ও সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মাহবুব স্বাচিপের এই শীর্ষ নেতার শুভজন্মদিনে শুভেচ্ছা,অভিনন্দন ও তার দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

তারা বলেন স্বাচিপের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও সংগঠক সবসময় স্বাচিপ নোয়াখালীর পাশে থেকে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের চিকিৎসকদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে এগিয়ে এসেছেন। তার পৃষ্ঠপোষকতায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রানিত হয়ে দেশের সর্বস্তরের চিকিৎসক রা এক হয়ে এই করোনা মহামারী মোকাবিলা করে সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জল করবে এমনটাই আশা করেন স্বাচিপ নোয়াখালী শাখার নেতৃবৃন্দ। দেশব্যাপি লকডাউন থাকায় ঘরোয়া ভাবেই এই চিকিৎসক নেতার জন্মদিন পালিত হয়েছে।

 একনজরে ডা. এম এ আজিজ

২০১৫ সালে ১৮ নভেম্বর আওয়ামীলীগ সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অধ্যাপক ডা. এমএ আজিজকে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ভ্রাতৃপ্রতিম পেশাজীবী চিকিৎসকদের সংগঠন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) ‘মহাসচিব’ পদে অধীষ্ঠিত করেন। এজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে স্বাচিপের নিবন্ধিত প্রায় ১৫ হাজার সদস্যের পাশাপাশি প্রায় লক্ষাধিক মেডিকেল পড়–য়া শিক্ষার্থী এবং চল্লিশ হাজার চিকিৎসক জ্ঞাতকা জ্ঞাপন করেন।

অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ ময়মনসিংহ জেলার সদর উপজেলার ৬নং চর ঈশ্বরদিয়া ইউনিয়নের চর বড়বিলা গ্রামে এক আওয়ামী পরিবাওে ১৯৬০ সালের ৩১ মে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতা হাসান আলী ছিলেন একজন আওয়ামীলীগের কর্মী।অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ মৃত্যুঞ্জয় উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ১৯৭৬ সালে ঢাকা বোর্ডের অধীন বিজ্ঞান বিভাগে প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়ে বিখ্যাত আনন্দমোহন কলেজে ভর্তি হন। সেখান থেকে ১৯৭৮ সালে একই বোর্ড থেকে বিজ্ঞান বিভাগে প্রথম শ্রেণিতে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন।

পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। আর সেখান থেকেই সক্রিয়ভাবে আওয়ামীলীগের ছাত্র সংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে তিনি যুক্ত হন। ১৯৮২ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরপর থেকেই ছাত্র রাজনীতিতে তার পথ চলতে থাকে বিদ্যুৎ গতিতে। তাকে আর ফিরে তাকাতে হয় নি পিছনে। ১৯৮৩ সালে শাখা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং পরের বছর ১৯৮৪ সালে অধ্যাপক ডা. এমএ আজিজ ভারমুক্ত হয়ে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া এ ছাত্র সংগঠনের। একই বছর ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৮৫ সালে এমবিবিএস পাস করে বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন (বিএমএ), ময়মনসিংহ শাখার সেন্ট্রাল কাউন্সিলর নির্বাচিত হন।

১৯৮৯ সালে এ সংগঠনের নেত্রকোনা জেলার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ছাত্রজীবনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ করার ফলে তিনি ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ভ্রাতৃপ্রতীম পেশাজীবী চিকিৎসকদের সংগঠন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য পদে মনোনিত হন। ১৯৯৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় তৎকালীন আইপিজিএম এন্ড আর এর হোস্টেল ওয়েল ফেয়ার কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদকও তিনি নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে বিএমএ এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য পদ লাভ করেন। এর দুই বছর পর ১৯৯৮ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হন।

এই বিভাগের আরো খবর ::

নামাজের সময়সূচী

তারিখ ১৭ মে ২০২২

  • ফজর

    ৫:১৭

  • যোহর

    ১২:১৩

  • আছর

    ৪:৪৫

  • মাগরিব

    ৫:৫২

  • এশা

    ৭:০৪

  • সূর্যোদয় : ৬:৩৪
  • সূর্যাস্ত : ৫:৫২
Image

অনলাইন জরিপ

করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ‘লকডাউন’ নিয়ে আপনি কি মনে করছেন?